২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
    Login
    ডিজিটাল গ্রাম
    জাতীয়

    পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগর গঠনে উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থার ওপর রাজউকের মতবিনিময় সভা

    ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

    এম আকবর হোসেন :

    পরিকল্পিত, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তুলতে ভবনে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল এবং পয়ঃশোধনাগার (STP) স্থাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজধানীতে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৩ আগস্ট) রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর উদ্যোগে গুলশান সোসাইটি পার্কে আয়োজিত এ সভায় গুলশান, বারিধারা, বনানী ও নিকেতন এলাকার বাসিন্দা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

    সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি; গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, এমপি; এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুর ইসলাম। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

    পার্

    সভায় বক্তারা বলেন, পরিবেশ দূষণ রোধ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে ভবনে আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে লেক ও জলাশয়ে অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধে প্রতিটি ভবনে সেপটিক ট্যাংক, সোক ওয়েল এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে STP স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, এমপি বলেন, "টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পিত নগরায়ণের স্বার্থে পরিবেশসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। সরকার একটি আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, এমপি বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি জানান, সাম্প্রতিক দুই মাসে রাজউক ৪,৪০৯টি ভবন ও বাসা পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে ১,৫৮৭টি ভবনে সেপটিক ট্যাংক থাকলেও ২,৮২২টি ভবনে তা নেই। এছাড়া মাত্র ৩৪১টি ভবনে সোক ওয়েল রয়েছে, আর ৪,০৬৮টি ভবনে সোক ওয়েল পাওয়া যায়নি।

    মন্ত্রী

    তিনি আরও বলেন, ১৯৬১ সালের লীজ ডিড অনুযায়ী প্রতিটি প্লটে সেপটিক ট্যাংক স্থাপন বাধ্যতামূলক এবং অকুপেন্সি সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। ভবন মালিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য রাজধানী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি বলেন, কিছু ভবন থেকে সরাসরি লেকে পয়ঃনিষ্কাশন লাইন সংযুক্ত থাকায় পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও আধুনিক সুয়ারেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্রিটমেন্ট প্লান্টে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

    সভায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সোসাইটির প্রতিনিধিরা উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

    সভায় আশা প্রকাশ করা হয়, পরিকল্পিত নগরায়ণ, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ রাজধানী ঢাকাকে আরও টেকসই, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    ডিজিটাল গ্রাম

    Online Newspaper of Bangladesh

    Editor: Digital Graam Team

    Digital Graam is more than a news outlet—it's the voice of rural Bangladesh. Through stories of marginalized people, accurate information, and responsible journalism, we bring you the news others overlook.

    Contact

    info@digitalgraam.com

    +8809696861397

    Bangladesh Consulate Office, Block A, House #146, Road 02, Mirpur 11.5, Dhaka 1216, Bangladesh

    Newsletter

    Get the latest news straight to your inbox

    Download Mobile App

    Google Play StoreApple App Store

    Submit a Complaint

    Send your feedback or complaint directly to us

    © All rights reserved 2026 | Digital Graam