২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
    लॉगिन
    ডিজিটাল গ্রাম
    মেডিকেল প্রতিবেদক

    ঢামেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তার বদলি ঘিরে উত্তেজনা: পরিচালকের পদত্যাগ দাবিতে চিকিৎসকদের অবস্থান

    ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ

    কে এস ইসলাম :

    ​ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলামের বদলিকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে চিকিৎসকদের একটি অংশ ও শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ব্লকে অবস্থান নিয়ে পরিচালকের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

    ঢামেকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয় এবং ময়মনসিংহের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঢামেকে পদায়ন করা হয়। কিন্তু ঢামেক পরিচালক মোজাম্মেল হককে কাজে যোগদানে বাধা দিলে চিকিৎসকদের একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা মোজাম্মেল হককে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন। গত রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে রেজাউলকে ছাড়পত্র (মুভআউট) দেওয়া হলেও, সোমবার আকস্মিকভাবে তার বদলির প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়।

    ​এই ঘটনার জেরে সোমবার চিকিৎসকদের ওই পক্ষ রেজাউলের কক্ষে তালা দিতে গেলে হানিফ নামে এক তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর কাছে তারা তালা চান। কর্মচারীর অভিযোগ, সে সময় চিকিৎসকরা তাকে মারধর করেন। এর প্রতিবাদে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং পরিচালকের কাছে মৌখিক বিচার দাবি করেন।

    ​মঙ্গলবার দুপুরে মারধরের শিকার হানিফের বিচারের দাবিতে কর্মচারীরা লিখিত স্মারকলিপি নিয়ে পরিচালকের কক্ষে যান। একই সময়ে পরিচালকের পদত্যাগের দাবিতে চিকিৎসকরাও সেখানে প্রবেশ করেন। বর্তমানে পরিচালকের কক্ষের ভেতরে চিকিৎসকরা অবস্থান নিয়ে আছেন এবং কর্মচারীরা বাইরে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    ​ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোয়াজ্জিম বলেন, "আমাদের সহকর্মী মো. হানিফকে মারধরের ঘটনায় আমরা পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকরা ভেতরে অবস্থান নেওয়ায় তা এখনও দেওয়া সম্ভব হয়নি। আমাদের কর্মচারীর গায়ে কেন হাত তোলা হলো, আমরা তার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

    ​অন্যদিকে, অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা.সাইফুল আলম বাদশা পরিচালকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, পরিচালক কর্মচারীদের দিয়ে দুর্নীতি করাতেন। বদলি হওয়ার পরও তিনি মন্ত্রীর অফিসে গিয়ে প্রভাব খাটিয়ে তা বাতিল করে এনেছেন—এর ব্যাখ্যা চাইতেই আজ আমরা সবাই তার কক্ষে এসেছিলাম।উল্টো তিনি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছেন।

    ​তিনি আরও অভিযোগ করেন,২৪-এর ছাত্র- জনতার আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবায় বাধা প্রদান করেছিলেন এই পরিচালক। তিনি প্রকৃত স্বৈরাচারের দোসর।তার পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।"

    ডিজিটাল গ্রাম

    बांग्लादेश का ऑनलाइन समाचार पत्र

    संपादक: डिजिटल ग्राम टीम

    डिजिटल ग्राम केवल एक समाचार माध्यम नहीं है—यह ग्रामीण बांग्लादेश की आवाज़ है। हाशिये पर खड़े लोगों की कहानियों, सटीक जानकारी और जिम्मेदार पत्रकारिता के माध्यम से हम वह खबरें लाते हैं जिन्हें दूसरे अनदेखा कर देते हैं।

    संपर्क

    info@digitalgraam.com

    +8809696861397

    Bangladesh Consulate Office, Block A, House #146, Road 02, Mirpur 11.5, Dhaka 1216, Bangladesh

    न्यूज़लेटर

    नवीनतम समाचार सीधे अपने इनबॉक्स में पाएं

    मोबाइल ऐप डाउनलोड करें

    Google Play StoreApple App Store

    शिकायत दर्ज करें

    अपनी प्रतिक्रिया या शिकायत सीधे हमें भेजें

    © सर्वाधिकार सुरक्षित 2026 | डिजिटल ग्राम