খিলগাঁওয়ের রেলগেট এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
কে এস ইসলাম :
রাজধানী খিলগাঁও থানাধীন রেলগেট এলাকায় কামরুজ্জামান খান দিপু (৪০)নামের এক ব্যক্তিকে এক ব্যবসায়কে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার করার অভিযোগ পরিবারের।
শনিবার(০১ আগস্ট)সকালের দিকে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়।
খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) সুমন মিয়া জানান,আমরা রাত সোয়া১০টার দিকে খবর পেয়ে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি।পরে আইনি প্রক্রিয়াশেষে মরদেহ ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আমরা আত্মীয়র সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি গত ২৯ তাং সন্ধ্যা ৭টার দিকে খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় অজ্ঞাত ১০/১২ জন পিটিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়।পরে খবর পেয়ে আত্মীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা জানান দিপু কে জরুরী (আইসিইউ) দিতে হবে এখানে আইসিইউ বেড খালি নেই,পরে দিপুকে একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় ওখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিবাগত রাত (৩১তারিখে)মুগদা হাসপাতালে এই তার মৃত্যু হয়। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিদিনের রিপোর্ট পেলে মৃত সঠিক কারণ জানা যাবে এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহতের বাবা সামসুউদ্দিন জানান, বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিপু বাসা থেকে বের হন। যাওয়ার সময় ছেলে আমাকে বলেন, আব্বা ২০ টাকা দাও পানি কয়টা আনবো ওর পকেটে হাজার হাজার টাকা থাকলেও ও বাইরে যাওয়ার সময় আমার কাছ থেকে ২০/৫০ টাকা তার নিতেই হতো দীপুর, আমার ছেলে যে চলে গেল আর বাসায় ফিরে আসলো না। আমার ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী হলেও সে কখনোই রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলো না।
তিনি আরো জানান,খিলগাঁও রেলগেইট এলাকায় অজ্ঞাত১০/১২জন ব্যক্তিরা তাকে তুলে নিয়ে মারধর করে।পরে গুরুতর আহত অবস্থায় খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় ফেলে চলে যায়।পরে আমরা খবর পেয়ে রাত ৯.৩০ এর দিকে দিপুকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় কাঁটাবনের "হোম কেয়ার" নামে একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তিনি মারা যান।আমাদের নিজ বাসা খিলগাঁওয়ের ব্লক-সি ৭২১/১//এ আমার দুই ছেলে ও ছিল ছোট দীপু পানির ব্যবসা করত।