২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
    Login
    ডিজিটাল গ্রাম
    জাতীয়

    জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে

    ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। এক মাসের বেশি সময় হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ব জ্বালানি বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। ফলে জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশেও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে দেশের জিডিপি ও রপ্তানি আয় কমার শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এর জন্য মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সরবরাহব্যবস্থার ওপর চরম নির্ভরশীলতাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলছেন, জ্বালানি, রেমিট্যান্স এবং বাণিজ্য-সরবরাহব্যবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলবে—যা সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁরা দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের প্রতি সরকারকে এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, জমি ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকর বিকল্পের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি অবকাঠামো এবং এর সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে উল্লেখযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখার মাধ্যমে সরকার দেশকে আমদানিকৃত অস্থিতিশীল জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা থেকে বের করে আনতে পারে। করমুক্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম এবং সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণের মতো আর্থিক প্রণোদনা প্রদান, পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ভর্তুকিকে নবায়নযোগ্য খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে নতুন সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের বাধাগুলো কমানো সম্ভব। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, স্থায়ী জ্বালানি সক্ষমতা অর্জনের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। তবে বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে আমদানিভিত্তিক জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য আনতে হবে। স্বল্পমেয়াদে অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি এবং এলএনজি পেতে বহুজাতিক চুক্তি ও দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি রেশনিং (কিউআর-কোডভিত্তিক ডিজিটাল ফুয়েল পাস) পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি শিল্প খাতের উৎপাদন শিফটগুলোকে অফ-পিক আওয়ারে স্থানান্তর করা প্রয়োজন। এর ফলে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সময়সীমা কমে আসবে, যার মাধ্যমে সংরক্ষিত সীমিত জ্বালানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে (যেমন: কৃষি এবং রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাত) সরবরাহ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি নির্ভরযোগ্য বেইসলোড বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করতে এবং অস্থিতিশীল এলএনজি বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে দেশের ভেতরে স্থলভাগ ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দিয়েছেন।

    ডিজিটাল গ্রাম

    Online Newspaper of Bangladesh

    Editor: Digital Graam Team

    Digital Graam is more than a news outlet—it's the voice of rural Bangladesh. Through stories of marginalized people, accurate information, and responsible journalism, we bring you the news others overlook.

    Contact

    info@digitalgraam.com

    +8809696861397

    Bangladesh Consulate Office, Block A, House #146, Road 02, Mirpur 11.5, Dhaka 1216, Bangladesh

    Newsletter

    Get the latest news straight to your inbox

    Download Mobile App

    Google Play StoreApple App Store

    Submit a Complaint

    Send your feedback or complaint directly to us

    © All rights reserved 2026 | Digital Graam